Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Backlink paketleri

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Illuminati

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Masal oku

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Masal Oku

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Buy Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Masal Oku

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink Panel

betixir

onwin

casibom

marsbahis

casibom

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

fixbet

jojobet

jojobet

holiganbet

trust score weak 3

holiganbet

jojobet

netbahis

marsbahis giriş

casibom giriş

agb99

Hacking forum

casibom

casibom giriş

casibom giriş

hackhaber

casibom giriş

jojobet giriş

onwin

jojobet

primebahis

jojobet

perabet

jojobet güncel giriş

chicken road

güvenilir bahis siteleri

piabet

Google

primebahis

primebahis

deneme bonusu veren siteler

casino siteleri

casibom güncel giriş

casibom giriş

casibom

jojobet

jojobet

jojobet giris

jojobet

jojobet

jojobet adres

jojobet

jojobet

jojobet

Hacklink panel

betpark güncel

holiganbet

jojobet

jojobet

jojobet giriş

sahabet

betpas

betgaranti

betoffice

primebahis

artemisbet

hitbet

tarafbet

maritbet

betpark giriş

betpark

betpark

betpark güncel giriş

betpark giriş

runtobet

runtobet giriş

casibom giriş

1xbet

pokerklas

kralbet

casibom güncel giriş

cratosroyalbet

goldenbahis

türk ifşa

jojobet

jojobet

escort sakarya

casibom

Wednesday, June 10, 2026

সঙ্গীত জগত-এর ৫০বছর পূর্তিতে,সঙ্গীত জগতের মানুষের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি- ৪র্থ পর্ব…

– রহমান ফাহমিদা, সহকারী-সম্পাদক।

সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা সঙ্গীতাঙ্গন-এর কাজই হল সঙ্গীত জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সুখ-দুঃখ এবং তাঁদের কাজের মূল্যায়ন করা। কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা সঙ্গীতাঙ্গন-এর কাজ নয়! প্রবীণদের কাজগুলি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা এবং নবীনদেরকে তাঁদের কাজ নিয়ে উৎসাহিত করাই সঙ্গীতাঙ্গন-এর উদ্দেশ্য। তাই তো সঙ্গীতাঙ্গন শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে সঙ্গীত জগতের সেই সকল শ্রদ্ধেয় মানুষদের যারা পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। অথচ রেখে গেছেন তাঁদের সুনিপুণ কর্ম। সঙ্গীতজগতের বিশিষ্টজনদের জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতেও সঙ্গীতাঙ্গন কার্পণ্য করে না। তেমনই কারো শোকদিবসে শোকপ্রকাশেও পিছপা হয়না সঙ্গীতাঙ্গন। সর্বদা সঙ্গীত জগতের মানুষদের খোঁজখবর রাখাও সঙ্গীতাঙ্গন-এর একটি লক্ষ্য। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সঙ্গীতজগত-এর ৫০বছর পূর্তি উপলক্ষে সঙ্গীতাঙ্গন সঙ্গীত জগতের সকল ক্ষেত্রের মানুষদের নিয়ে আয়োজন করেছেন কয়েকটি
বিশেষ পর্ব। যেখানে থাকবে দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে সঙ্গীত জগতেরও ৫০ বছরে বিভিন্ন পরিবর্তনের কথা এবং সঙ্গীত জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষদের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির কথা!
সঙ্গীত জগতের অনেকের সাথে কথা বলে অনেক কথা জেনেছি। যেমন-কেউ অনেক জনপ্রিয় কাজ করেও সঙ্গীত জগত থেকে পায়নি তেমন কিছুই। তেমনই আবার কারো প্রাপ্তিটা পেতে দেরি হয়েছে ঠিকই কিন্তু প্রাপ্তির মূল্যায়ন পাননি তেমন। কারো মনে যেমন প্রাপ্তির তৃপ্তি আছে তবে কিছুটা আক্ষেপও আছে মনমত কাজ করতে না পারার এবং এই সঙ্গীত জগতের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পরিবর্তনের কথা নিয়েও অনেকে বলেছেন! ইত্যাদি নানান বিষয় ফুটে উঠেছে তাঁদের কথায়। সঙ্গীত জগতের যে সকল প্রবীণ-নবীন গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীতপরিচালক, যন্ত্রশিল্পী, কণ্ঠশিল্পী এবং ব্যান্ড শিল্পীগণ সঙ্গীতাঙ্গন-এর এই আয়োজনে থেকে সহযোগিতা করছেন সকলের জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা ও একরাশ লাল গোলাপের শুভেচ্ছা।
বিঃদ্রঃ-ধারাবাহিকভাবে চলবে এই বিশেষ আয়োজন এবং এখানে যাদের সাথে আগে পরে কথা হয়েছে সেভাবেই পর্যায়ক্রমে থাকবে সাক্ষাৎকারগুলো।

সঙ্গীতাঙ্গন-এর এই বিশেষ আয়োজনে আজকের পর্বে আছেন সঙ্গীত জগতের তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের সাথে কথা হয়েছে সঙ্গীত জগতের এই ৫০বছর পূর্তিতে সঙ্গীত জগতের পরিবর্তন নিয়ে এবং তাঁদের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি কি ছিল তা নিয়ে। তাঁদের কথাতেই জেনে নেই সেই সম্পর্কে –
সঙ্গীত শিল্পী লীনু বিল্লাহ- শ্রদ্ধেয় লীনু বিল্লাহ’র পরিবার দেশের নামকরা এক সাংস্কৃতিক পরিবার। সঙ্গীতে তাঁর হাতেখড়ি ১৯৬৪ সাল থেকে। সঙ্গীতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন-আধুনিক, দেশাত্মবোধক, লোকসংগীত গানে তিনি খুব পারদর্শীতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ভালো তবলা বাজাতে পারেন। তাছাড়া তাঁর আরেকটি পরিচয়, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে প্রথম ষ্টেজ শো করেন।
তাঁর প্রথম অডিও অ্যালবাম ছিল ‘হিটস অব লীনু বিল্লাহ’। এই পর্যন্ত তাঁর সাতটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি সঙ্গীতাঙ্গনসহ বিভিন্ন লাইভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি নাটকেও অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকা থিয়েটারের একজন প্রতিষ্ঠিত সদস্য। সুরকার শহীদ আলতাফ মাহমুদ ও মঞ্চ নাটকের পরিচালক ও মুক্তিযোদ্ধা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, এই দুই গুণীজন তাঁর দু’বোনের স্বামী। শ্রদ্ধেয় লীনু বিল্লাহ একজন সঙ্গীত নিবেদিত প্রাণের একজন মানুষ। তাঁর বিশ্বাস গান হল সবচেয়ে বড় ঔষধ। মানুষের মন যদি খারাপ থাকে তখন যদি কেউ গান শোনে তবে তার মন ভালো হবেই। সঙ্গীত শিল্পী লীনু বিল্লাহ’র জনপ্রিয় কিছু গান হল- যে ভাবেই বাঁচি বেঁচে তো আছি, আমার নাটাই সুতা, দেখোনা আমার চোখে, কেন দেরি করে এলে বন্ধু, গীতি কেমন আছো, অন্তর আমার, পথের মাঝে, বুকের ভিতর থাকনা কিছু, আমি আজ হেরে গেলাম ইত্যাদি। সঙ্গীত জগতের ৫০ বছর পূর্তিতে যে পরিবর্তন তিনি দেখেছেন এবং সঙ্গীত জগতে তাঁর দীর্ঘ পথচলায়, তাঁর যে প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি! তা তিনি সঙ্গীতাঙ্গন-এর সাথে বর্ণনা করেছেন এভাবে-
স্বাধীনতার উত্তরকালে সঙ্গীত জগতের যে পরিবেশ ছিল, সেটা তো অন্যরকম ছিল। তখন আমরা অনেক স্ট্রাগল করছি। তখন খুব কষ্ট করেছে যারাই তখন ছিল। আমার বয়স ছিল ২০/২১ বছর হবে। তারপরতো স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম। তখন অনেক সুন্দর সুন্দর গান হয়েছে কিন্ত অর্কেস্ট্রার দিক দিয়ে মানে যদি আমি টেকনোলজিক্যাল পয়েন্টগুলো বলি! সবাই খুব স্ট্রাগল করেছে। তখনতো পূর্ব পাকিস্তান ছিল। ঐ সময় তেমন কোনো যন্ত্রশিল্পী ছিল না। ঐ সময়ে আমাদের যদি পশ্চিমবঙ্গের সাথে তুলনা কর! তবে বলবো, আমাদের তখন কিছুই ছিল না। আর ওদের সবকিছু ছিল। যাই হোক! এরপর আসলো স্বাধীনতা। আমাদের দেশের অনেক গুণীজনকে হারালাম।
সেই সাথে আমার দুলাভাই, আলতাফ মাহমুদকে হারালাম। তারপর আমরাও খুব স্ট্রাগল করলাম। এরপর আমার আর সঙ্গীতে মোটেও কোনো ইচ্ছা ছিল না। তারপর কেমন করে যেন আবার চলে আসলাম সঙ্গীত জীবনে। সুরতো কখনো থেমে থাকেন। তুমি ঠিকই বলেছো, এটা গড গীফট! আমিতো এমন কোনো গান বাজনা করিনা কিন্ত আমাদের বাসার পরিবেশটা এমন ছিল যে, সংগীত নিয়ে আমরা গবেষণা করতাম। আমরা ভাই বোনরা গান করতাম, আরেক বোন নাচতো। যাই হোক পরে আলতাফ মাহমুদ আমার বড় বোনের হাসবেন্ড হয়ে আসল। এই যে গানের পরিবেশ ছিল, এটাতেই পরে সঙ্গীতের মূল আমার রক্তে ঢুকে গেল আরকি! একটা সময় ভাবলাম সব ছেড়ে দিব কিন্ত আবার ঠিকই আসলাম। একদিন আমাকে কাদেরী কিবরিয়া নিয়ে গিয়ে জিংঘা শিল্পী গোষ্ঠীতে জয়েন করিয়ে দিল। সেটা ছিল আরেক অধ্যায়। তারপর আমি এদিকে টেলিভিশনে নিয়মিত শিল্পী হয়ে গেলাম। এর মধ্যে রেডিওতে চাকরি শুরু করলাম। তখন আমার পরিবেশ ছিল সঙ্গীত আর নাটক। আমি ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠিত সদস্য। এগুলো করার পর যাই হোক, ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে কিন্ত হঠাৎ করে বিরাট এক উত্থান হল! সেইসময় আলাউদ্দিন আলী সুর করল কিছু গান, আহমেদ ইমতিয়াজ সুর করল কিছু গান এবং শেখ সাদীও সুর করলো কিছু গান। তখন কিন্ত ইন্সট্রুমেন্ট আসা শুরু হল। তারপর দুই একটা স্টুডিও তখন ছিল। সেখানে আমরা কিন্ত ট্র্যাকে রেকর্ডিং করতাম না। একবারে ফুল লেন্থে গান করতাম। ঐ ইমেজ কিন্ত এখন আর কেউ করতে পারবে না। একদম লাইভ প্রোগ্রামের মত ছিল। তখন আলাউদ্দিন আলী মোটামুটি গানের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করলো। আমার জীবনের প্রথম গান আলাউদ্দিন আলীর সুরে করলাম ‘ও আমার বাংলা মা তোর’, এই গানটা দিয়েই আমার শুরু হল। আমি ১৯৭২ সালে ঐ গানটা টেলিভিশনে গাইলাম। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের প্রথম গান ‘গীতি কেমন আছো’ গানটি আমি করলাম। ঐ সময়টা ভাল ছিল। আস্তে আস্তে হঠাৎ করেই ট্র্যাক চলে আসলো। এই ট্র্যাক সিস্টেমে কেন জানি আমার প্রথমে গান গাইতে ইচ্ছে হল না কিন্ত যারা অভ্যস্ত তারা কিন্ত ভালো
গান গেয়ে গেল! তবে আমরা যারা ঐ জিনিস্টা একসেপ্ট করতে পারছিলাম না, তাঁদের জন্য ভোগান্তি হচ্ছিল। আমরা ট্র্যাকটা বুঝতে পারছিলাম না কিন্ত ভেরি ইজি! মানে ফাঁকিবাজি গান বাজনা আমি মনে করি। আগে আমরা সাড়ে তিন মিনিট চার মিনিট গান একসাথে করতাম আর ট্র্যাক আসার পর দশ সেকেন্ড ত্রিশ সেকেন্ডে গান শেষ করে দিচ্ছে। এই ট্র্যাকের পর পর প্রযুক্তিগত হয়ে গেল সবকিছু। কিন্ত বর্তমানে যেটা হচ্ছে আমার এখানে কিছু বলার আছে, যারা বর্তমান সময়ের পরিচালক, যারা গানবাজনা করে, যারা গান তৈরি করে তাদের প্রতি আমার কোনোরকম বিভেদ নাই! শুধু একটা কথা বলবো যে, তোমাদের হাতের কাছে সবকিছু আছে। নব ঘুরালেই সব পেয়ে যাচ্ছ, যা আমাদের সময় আমরা পাইনি। তোমাদের যে সুযোগ আছে, সেই অনুপাতে গান-বাজনা হচ্ছে না। আমি মনে করি, তোমাদের অনেক অনেক ভাল গান করা উচিত। কারণ গানের এত সুযোগ পাচ্ছ কিন্তু গানের ধারাটা যেন কেমন হয়ে গেছে। কোনো মেলোডি নাই কিছু নাই। মাঝে মাঝে কিছু গান ভালো হয়। আমাদের বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে কয়েকজন শিল্পী কিন্ত অসাধারণ গায়। অসাধারণ কিছু শিল্পী, কোম্পজার এবং মিউজিশিয়ান
আছে। কিন্ত যারা ভালো গায় তারা ভাল গান পাচ্ছে না। গত বছর থেকেতো আমাদের সঙ্গীতজগত পুরোই শূন্য হয়ে গেল! আলাউদ্দিন আলী চলে গেল। ইমতিয়াজ বুলবুল চলে গেল। আরও অনেকেই চলে গেল! অথচ এই সকল গুণীজনদের কাছ থেকে এখনকার প্রজন্মের তেমন কেউ কিছু নিতে পারে নাই। তাঁদের গান তোমাদের করা উচিত ছিল। এখন তো সবাই হারিয়েই গেল। আমার এখন খুব নিঃসঙ্গ লাগে কারণ প্রতিদিন সকালবেলায় আলাউদ্দিন আলীর সাথে আমার টেলিফোনে কথা হত। আমার সাথে ওর যে রসায়নটা ছিল অন্য ধরণের! কেউ তা চিন্তাও করতে পারবে না। ও একসময় ভাল ভাল গান করল। ও যখন খুব ভীষণ ব্যাস্ত হয়ে পড়ল! তখন আমি আবার গান-বাজনা থেকে সরে ছিলাম। প্রায় ১৫/১৬ বছর গান করিনি। তারপর ও আমাকে রিকোয়েস্ট করে গান করিয়েছে আরকি! একটা গান ছিল ‘যেভাবেই বাঁচি বেঁচে তো আছি, জীবন ও মরণের মাঝামাঝি’ এই গানটি ও করিয়েছে। যদিও আমি এই গানের তিন নম্বর শিল্পী কিন্তু আমার গায়কীটা নাকি ভাল হয়েছিল। আলাউদ্দিন আলী নিজেও বলেছিল। তখন এই গানটি খুব সারা জাগিয়েছিল। শাহনাজ রহমত উল্লাহ নিজেও এই গানটি গেয়েছে অথচ ও আমাকে বলেছে। তুমি এই গানটা কেমন করে গাইলা। ও ছিল আমার বন্ধু মানুষ। যাই হোক, এগুলোই আমার প্রাপ্তি। অপ্রাপ্তির কথা বলছও ? আমার কোনো অপ্রাপ্তি নাই। আমার মধ্যে কোনো নেগেটিভিটি নাই! আমি অলওয়েজ পজিটিভ। আমি গানবাজনা করি তবে গান-বাজনা তো আমার পেশা না। সেমি পেশা বলতে পারো। আর আমি যদি গান-বাজনাকে ফুল পেশা হিসেবে নিতাম তাহলে মারা যেতাম। গান-বাজনা করে বেঁচে থাকা খুব মুস্কিল বলছো! তা ঠিক আছে তবে অবশ্য অনেকেই গানবাজনা করে ভালোই চলছে। এটা ভালো, আমি এপ্রিসিয়েট করি। এখন হল যে, আমার এই বয়সে যে প্রাপ্তি, আলহা্মদুলিল্লাহ! আমি এই করোনাকালীন সময়ে বেঁচে আছি, এটাই বড় প্রাপ্তি। আল্লাহ’র দুনিয়া থেকে অনেকেই তো চলে গেল! দেখলাম। তাই বেঁচে আছি, মোটামুটি আমার ছেলেমেয়ে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আছি, গান-বাজনা নিয়ে আছি। ভালই আছি। গান-বাজনায় যদি ডাকে আবার করবো। করোনাকালীন অবস্থা ভাল হলে আবার করব, ইনশা আল্লাহ! তবে আগে তো জান্, তারপর গান।

সঙ্গীতশিল্পী এম.এ.শোয়েব- এম.এ.শোয়েব (তাঁর পুরো নাম-মুস্তফা আনোয়ারুল শোয়েব) ১লাজুন, ১৯৫৮সালে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। বাবা ছিলেন টেলিফোন এন্ড টেলিগ্রাফ (টি এন্ড টি)-এর ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের মা অনেক ছোট রেখেই পরলোক গমণ করেন। দ্বিতীয় মা আপন মায়ের মতোই আদর স্নেহ দিয়ে তাঁদের মানুষ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাবার চাকরি সুত্রে তাঁরা পশ্চিম পাকিস্তানের করাচীতে বসবাস করছিলেন। দ্বিতীয় মা করাচীতে ইন্তেকাল করার পর তাঁর বাবা সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসার জন্য। পিতার নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অতঃপর সদ্য তরুণ যুবক এম.এ.শোয়েব নিজেই সিদ্ধান্ত নেন যে কোনো উপায়ে হোক একাই স্বদেশে ফিরে আসবেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১৯৭৩ সালে তিনি স্বদেশের উদ্দেশ্যে বের হন এবং সফলকাম হন। তারপর বাংলাদেশে এসে সোজা দেশের বাড়ি বরিশাল গৌরনদীতে চলে যান এবং সেখানে সরকারী গৌরনদী কলেজে ভর্তি হন। গৌরনদী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে তাঁর বাবা ১৯৭৪ সনে বাংলাদেশ পাকিস্তান বন্দী-বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে ঢাকায় আসেন। এম.এ.শোয়েব তখন ঢাকায় চলে
আসেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। একই সময় তিনি ছায়ানট সঙ্গীত বিদ্যালয়েও ভর্তি হন। ছায়ানট-এর কোর্স শেষ হওয়ার আগেই ঢাকা হতে তাঁর একটি একক বাংলা গানের অডিও অ্যালবাম বের হয় ডিসকো রেকর্ডিং-এর মাধ্যমে ১৯৮১ সালে। এটিকে বাংলাদেশের প্রথম অডিও অ্যালবাম বলে ধরা হয়। ১০টি গান নিয়ে এই অ্যালবামটি ক্যাসেটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অ্যালবামের নাম ছিল ‘হিটস অব এম এ শোয়েব’। এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, এ যাবত ৩৮ লক্ষ কপি বিক্রয় হয়েছে। সেই সময় বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ক্যাসেটটি পৌঁছে যায়। এই অ্যালবামের বেশ কিছু গান জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল, তার মধ্যে ‘আজ থেকে বারটি বছর’ এবং ‘আফ্রিকা’ গানদু’টি অত্যধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। সেই থেকে এম.এ.শোয়েবকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। রেডিও, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রে সুযোগ পান গান করার জন্য তিনি। এরপর তিনি গানকে পেশা হিসেবে নেন। দুঃখের ব্যাপার হল, আশির দশকে তিনি যখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করছেন! ঠিক তখনি তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে গমণ করেন ব্যাক্তিগত কারণে। ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি আমেরিকার লসএঞ্জেলেসে চলে যান। সেই থেকে তিনি প্রবাসেই অবস্থান করছেন। বর্তমানে তিনি স্বপরিবারে আমেরিকার এ্যারিজোনাতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সেখানে তাঁর একটি মিউজিকের স্কুল আছে, নাম- ‘সুর ও বানী’ এবং তিনি সেখানে কিছু মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছেন। তবে প্রতি বছর তিনি চেষ্টা করেন বাংলাদেশে আসতে। দেশে এসে তিনি বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, রেডিও ও ষ্টেজ শো গুলোতে অংশগ্রহণ করেন। সুদূর প্রবাস থেকে তিনি জানিয়েছেন, ৫০বছরে সঙ্গীতজগতের পরিবর্তনের কথা ও সঙ্গীত জগতে তাঁর প্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি কি ছিল, সেই কথা! তিনি বলেন-
প্রথমে ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সঙ্গীতাঙ্গনকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। ৫০ বছর আগে মানে ৭০দশকে, তখন দেশে একমাত্র মিডিয়া ছিল বিটিভি। তাই বর্তমান সংগীতের প্রচার বা প্রসার এর মত তখন তেমন একটা ছিল না। তবে মঞ্চ পরিবেশনা ছিল মুখর! রেডিও ছিল অবসর সময়ের মনের খোড়াক। এখন অনেক মিডিয়া পত্রিকা আছে এবং প্রতিভা বিকাশের পথও প্রশস্ত হয়েছে। সংগীতের প্রতি অনুরাগ বেড়েছে নতুন প্রজন্মের। আমার প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির বিষয়ে বলতে গেলে -এই ৫০ বছরে আমার প্রাপ্তি অনেক তবে অপ্রাপ্তিও অনেক! প্রাপ্তি হল, ১৯৮১সনে বাংলাদেশে প্রথম অডিও অ্যালবাম ডিসকো রেকর্ডিং থেকে প্রকাশিত হয়, যা আমার একক অ্যালবাম ছিল। ‘হিটস অব এম এ শোয়েব’ শিরোনামে অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়। এই অ্যালবামের সফলতা ছিল তখন আকাশ চুম্বি! যখন আমার সংগীত জীবনের সাফল্য শুরু হল তখনই আমি দেশের বাইরে চলে এলাম। তাই পুরস্কারের কথা যদি বলি, দেশে ৩/৪ টি ব্যতিত তেমন কোনো পুরস্কার পাওয়ার সৌভাগ্য হয় নি। তবে দেশের বাইরে আমেরিকাতে প্রচুর এওয়ার্ড পেয়েছি। আমি যে পুরস্কারগুলো পেয়েছি তা হল -ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাব সম্মাননা পুরস্কার, ফোবানা উচিতা ক্যানসাস এ্যাওয়ার্ড (২০০৭), বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস এ্যাওয়ার্ড (২০১২), বৈশাখী পদক লস এঞ্জেলেস (২০১৪), মাসুদ করিম এ্যাওয়ার্ড কানাডা (২০১৬), লাইফ টাইম এ্যাচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড ফ্রম বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফিনিক্স (২০১৬), একাত্তর ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ সম্মাননা পদক (২০১৮), বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কোলোরাডো এ্যাওয়ার্ড (২০১৮), অল টাইম গ্রেট সিঙ্গার এ্যাওয়ার্ড ফ্রম লস এঞ্জেলেস বাংলাদেশী কমিউনিটি (২০১৯), বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টাস এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) ঢাকা বাংলাদেশ এ্যাওয়ার্ড। তাছাড়া সম্প্রতি এটিএন বাংলা থেকে ‘গানের মানুষ এম এ শোয়েব’ পুরস্কার পেয়েছি জানুয়ারি মাসে ২০২০ সালে। আর অপ্রাপ্তির
কথা বলতে গেলে বলতে হয়, যখন আমি বাংলাদেশের সংগীত জগতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছি ঠিক তখনই আমাকে দেশ ত্যাগ করতে হল ব্যক্তিগত কারণে। যার ফলে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম আমাকে চেনে না বললেই চলে! আজ দেশে থাকলে হয়তো নতুন প্রজন্মের সাথে আমার এই দূরত্বটা থাকতো না। এটাই আমার জন্য অনেক বড় অপ্রাপ্তি।

সঙ্গীতশিল্পী ফাহমিদা নবী- বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ফাহমিদা নবী। ১৯৬৪ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি দিনাজপুর জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম নুমা। বাবা কিংবদন্তি শিল্পী মাহমুদুন্নবী। বাবার আদর্শকে সামনে রেখে সংগীতে ক্যারিয়ার গড়েছেন তিনি। ১৯৭৯ সালে তাঁর শিল্পী জীবন শুরু করেন এবং তিন যুগ ধরে সাফল্যের সাথে তিনি গান গেয়ে যাচ্ছেন। তিনি উপমহাদেশীয় আধুনিক এবং ক্লাসিকেল গান গেয়ে থাকেন। এছাড়া তিনি রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল সংগীতও গেয়ে থাকেন। বাপ্পা মজুমদারের সাথে যৌথভাবে তিনি ২০০৬ সালে বের করেন অ্যালবাম- এক মুঠো গান-১ এবং ২০১০ সালে ভালোবাসা দিবসে বের হয় তাঁর দ্বিতীয় অ্যালবাম- এক মুঠো গান-২। তাছাড়া তিনি ২০১৫ সালে ডঃ সেলিম আল দীন-এর লেখা ১০টি গান নিয়ে অ্যালবাম বের করেন- আকাশ ও সমুদ্র। ফাহমিদা নবী’র মিশ্র ও একক অ্যালবাম গুলি হল- এক মুঠো গান-১, এক মুঠো গান-২, দুপুরে একলা পাখি (একক), তুমি কি সেই তুমি (একক), মনে কি পড়ে না (একক), কর্তা দেয়াল হঠাৎ খেয়াল (একক), স্বল্প গল্প, আকাশ ও সমুদ্র, আমার বেলা যে যায়, সেলিব্রেটিং লাইফ (১,২,৩,) আমি আকাশ হবো, তবু বৃষ্টি চাই (একক), আয় ভালবাসা (মিশ্র), ইচ্ছে হয় (একক), আমারে ছুঁয়েছিলে (নজরুলগীতি), তুমি অভিমানে (একক), এক নির্ঝরের ১০১ গান(মিশ্র)। ফাহমিদা নবী ২০০৫ সাল থেকে ক্লোজআপ ওয়ান রিয়্যালিটি শো’র বিচারক। ২০০৭ সাল থেকে তিনি কারিগরী নামক একটি প্রতিষ্ঠান চালান। তিনি ২০০৭ সালে বাংলা চলচ্চিত্র ‘আহা!তে লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প’ গানটি গাওয়ার জন্য শ্রেষ্ঠ প্লেব্যাক সংগীত শিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তাছাড়া তিনি একই গান ‘লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প’ এর জন্য ২০০৮সালে ‘মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার’ পান। একই বছর ২০০৮সালে তিনি চ্যানেল আই পারফর্মেন্স অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন। ৫০বছর পূর্তি উপলক্ষে সংগীত জগতের পরিবর্তন তিনি কিভাবে দেখছেন! এবং সঙ্গীত জগতে তাঁর প্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি কি ছিল, সেই কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন-
প্রথমেই সঙ্গীতাঙ্গনকে ৫০ বছর পূর্তিতে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। যুগে যুগেই হয়ে আসছে প্রথমেই মানুষ ভাল জিনিসকে খুব সহজে বা সাদরে গ্রহণ করে না। এটা কিন্ত শুধু আমার কথা নাহ! তবে ভাল জিনিসেরই কদর হয় একদিন। আমার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং লাগে এই কথা ভেবে যে, খুব সহজেই একটা জিনিস গ্রহণ করছে না, অথচ সেই জিনিসটারই একদিন খুব কদর হয়। কারণ হচ্ছে যা কঠিন তাইই তো সুন্দর। মানুষ সেটা সহজে গ্রহণ করে না কারণ কঠিন জিনিস শেখা, জানা, বোঝা এটা খুব কঠিন ব্যাপার। মানুষ সব সময় সহজ জিনিসটাই পছন্দ করে। পছন্দ আর গুণের কদর দুই জিনিস। এখন হচ্ছে কি, যুগে যুগে পরিবর্তন হচ্ছে তাই নাহ! একটা সময় সিডি ছিল। তার আগে ক্যাসেট ছিল। ক্যাসেটের আগে তেমন কিছুই ছিল না। আর এখন তো কনটেন্টের যুগ! এখন তো সবাই নিজেকে কনটেন্ট ভাবতেই ভালোবাসে। এখনতো আসলে গান নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নাই। কিভাবে কন্টেন্ট হবে এই ভাবনায় সবাই অস্থির। মানে সেটা নোংরামি হতে পারে আবার ভাল কিছুও হতে পারে! কনটেন্ট হতে চায় সবাই। ঐ প্রসঙ্গে আমার আসলে কিছু বলার নেই। এই মুহূর্তের সমাজ ব্যবস্হায় রুচিশীল, প্রগতিশীল বা শিল্পচর্চা এখন কনটেন্ট নির্ভর। এখন ভাল কাজ আরও কমে গেছে। সেটা নিয়ে আসলে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আসলে যখন কিছু খারাপ হয় তখন অপেক্ষা করতে হয়। মানুষও এখন দিশাহারা! কি করবে, নিজেও বুঝতে পারছে না। তাই এই মুহূর্তে শান্ত থাকতে হবে। তবে যারা সবসময় চর্চা করে তাঁদের ভেতর খারাপ কিছু ঢুকতে পারে না। তাঁরা অপেক্ষা করে, তাঁরা ধৈর্য্য ধরে। আর আমি আমার বাবা মায়ের কাছ থেকে যেটুকু শিখেছি, সেটুকু কখনোই নষ্ট হতে দেইনি। আর প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির কথা বলছেন! আমি আসলে প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি নিয়ে কিছুই খুঁজি না। আর প্রথম প্রথম যদিও প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি নিয়ে ভাবতাম! তখন মা বলতেন, প্রাপ্তি আবার কি ? অপ্রাপ্তি বা কি জিনিস ? মা বলেছেন, তুমি যখন সুন্দর সুন্দর কাজ করতে পারবা, সেটাই তোমার প্রাপ্তি। আর যখন তুমি আর সুন্দর করে কাজ করতে পারবা না বা অস্থিরতায় ভুগবে তখনই তুমি বুঝবে, তুমি অপ্রাপ্তিতে পড়ে গেছো। তো, আমার
কাছে কোনো প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি নাই ভাই! আমি মনে করি যতক্ষণ ভাল কাজ করতে পারব, ভাল চিন্তা করে পারব। সেগুলোই আমার প্রাপ্তি। এই যে আপনি আমার বাবার কথা বললেন, তাঁকে মনে করেছেন বা আমাদের কথা ভাবছেন! আপনি কিন্ত আমার ফ্যামিলির পুরো গাছটি নিয়েই নাড়াচাড়া করছেন! ওটাই আমার বিশাল প্রাপ্তি। সেটার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

Related Articles

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

18,780FansLike
700SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

betwinner melbet megapari megapari giriş betandyou giriş melbet giriş melbet fenomenbet 1win giriş 1win 1win