Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Backlink paketleri

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Illuminati

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Masal oku

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Masal Oku

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Buy Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Masal Oku

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

jojobet giriş

netbahis

marsbahis

casibom giriş

agb99

Hacking forum

casibom

casibom giriş

casibom giriş

hackhaber

casibom giriş

jojobet giriş

onwin

jojobet

mavibet

jojobet

jojobet güncel giriş

jojobet giriş

chicken road

güvenilir bahis siteleri

piabet

Google

casinoroyal

primebahis

deneme bonusu veren siteler

casino siteleri

jojobet giriş

holiganbet

casibom giriş

jojobet giriş

jojobet

jojobet giriş

marsbahis

jojobet

jojobet giriş

jojobet giriş

jojobet

jojobet

Hacklink panel

betpark güncel

meritking

meritking giriş

holiganbet

jojobet

sahabet

truvabet

mavibet

mavibet

mavibet

cratosroyalbet

piabellacasino

robinbet

maritbet

tipobet

holiganbet

porno izle

bets10

porno izle

runtobet

runtobet giriş

casibom giriş

1xbet

pokerklas

kralbet

holiganbet güncel giriş

cratosroyalbet

meritking

grandpashabet

jojobet

mavibet

escort sakarya

casibom

pusulabet

pokerklas

casibom giriş

dedektör

casibom

jojobet güncel giriş

casibom güncel giriş

jojobet

cratosroyalbet giriş

dental implants turkey

mavibet

mavibet

Sunday, June 14, 2026

বাংলাদেশে কি ভাবে এলো ব্যান্ড সঙ্গীত ?…

– মোশারফ হোসেন মুন্না।

সঙ্গীত মানুষের জীবনে একটি বন্ধুর মত কাজ করে। সুখে- দুঃখে সব সময় মানুষ গান শুনতে ভালোবাসে। তবে এই গানের পিছনে আছে নানা রহস্য ও কৌতূহল। এটা আগেও ছিলো এখনো আছে। তবে কৌতূহল সবচেয়ে বেশি হলো ব্যান্ড সঙ্গীত নিয়ে। যা আগে অপসংস্কৃতি বলে আক্ষা দেওয়া হতো। সেই সঙ্গীত আজ মূল ধারার সঙ্গীতের স্থান অর্জন করেছে। ব্যান্ড সঙ্গীতের আধুনিক বাদ্যযন্ত্র আজ সব ধরনের সঙ্গীতে ব্যবহার করা হচ্ছে। আজ ব্যান্ড সঙ্গীত কোন অপসংস্কৃতি নয় বরং সংস্কৃতির মঞ্চ। আসুন জানি এ বিষয়ে অজানা কিছু কথা।

বাংলাদেশের ব্যান্ড বা বাংলাদেশী ব্যান্ড বলতে বাংলাদেশে প্রচলিত রক ঘরনার সঙ্গীত বোঝায়। উনিশ শতকের ষাটের দশকে পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ব্যান্ডের সূচনা ঘটে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরে ৭০ ও ৮০’র দশকে বাংলাদেশে রক ঘরনার ব্যান্ডের বিস্তৃতি ঘটে। ব্রিটিশ আমল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন হোটেল ও নবাব পরিবারের আমন্ত্রণে ব্রিটিশ ব্যান্ড ও সঙ্গীত তারকাদের ঢাকায় গান পরিবেশনের খবর পাওয়া যায়। পাক-ভারত বিভক্তির পরে ১৯৬৩ সালের ১৮ মার্চ ঢাকার সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুলের এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রথম ব্যান্ড ধাঁচের গানের খবর পাওয়া যায়। সেই অনুষ্ঠানে ১৭ বছর বয়সী কিশোর টেলফার জনসন গিটার বাজান আর ক্লিফ রিচার্ডের গান পরিবেশন করেন। একই স্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ূয়া ফজলে রব, আলমগীর পরবর্তীকালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক, রফিক ও সাব্বির ব্যান্ড দল গঠন করেন। বলা হয়, তাদের হাতেই জন্ম নেয় বাংলাদেশের প্রথম ব্যান্ড আইওলাইটস। হোটেল শাহবাগ ও ঢাকা ক্লাবে নিয়মিত পারফর্ম করে ব্যান্ড দলটি। ১৯৬৫ সালে প্রথম ব্যান্ড হিসেবে টিভিতেও পারফর্ম করে ব্যান্ডটি। আইওলাইটসের সমকালীন আরেকটি ব্যান্ডের জন্ম চট্টগ্রামে। নাম জিংগা শিল্পগোষ্ঠী। সঙ্গীতবোদ্ধা ও ইতিহাস রচয়িতাদের মতে ‘জিংগা’ একটি পারিবারিক ঘরানার ব্যান্ড। কারও কারও মতে, এটি বাংলাদেশের প্রথম ব্যান্ড। এমনকি ইন্টারনেট ও কোনো কোনো ইতিহাস রচয়িতাও জিংগাকে এ দেশের প্রথম ব্যান্ড বলে থাকেন। তবে জিংগাকে দেশের প্রথম ব্যান্ড বলার বিশেষ কোনো তথ্য-প্রমাণ মেলে না। এ দলের গায়ক ওমর খালেদ রুমী পরবর্তীকালে আরেকটি ব্যান্ডের হয়ে বাংলায় গান করা শুরু করেন। সে বিচারে বলা যায়, তিনিই প্রথম বাংলা গানের ব্যান্ডশিল্পী। জিংগার পর চট্টগ্রামে জন্ম নেয় আরেক ব্যান্ড লাইটনিংস। ১৯৬৭ সালে ফরিদ রশীদ, নিওম্যান্ডেজ, নোয়েল ও শাকিল গড়ে তোলেন লাইটনিংস ব্যান্ডটি। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মাহমুদ, তোতা, চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল ও ফারুক মিলে ব্যান্ড গঠন করেন র‌্যাম্বলিং স্টোনস। দুটি ব্যান্ডই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। একই বছরে গঠিত হয় উইন্ডি সাইট অব কেয়ার ব্যান্ড। ১৯৬৮ সালে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে আইওলাইটস, উইন্ডিসাইট অব কেয়ার, র‌্যাম্বলিং স্টোনস ও লাইটনিংস একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ ব্যান্ড নির্বাচিত হয় উইন্ডি সাইট অব কেয়ার। এ ব্যান্ডগুলোর পাশাপাশি ১৯৬৬ সালে নারায়ণগঞ্জে জন্ম নেওয়া ‘বকলম’ ব্যান্ডটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠা পায় ফায়ার অ্যান্ড আইস ব্যান্ডটি। ১৯৬৯ সালে প্রথম ভাঙনের কবলে পড়ে র‌্যাম্বলিং স্টোনস। এ ব্যান্ডের সদস্যরা আলাদা হয়ে গিয়ে তৈরি করে নতুন ব্যান্ড ‘টাইম গো মোশন’। এরপরই দেশের প্রথম ব্যান্ড আইওলাইটসের ভাঙন ধরে। ড্রামার সাব্বির এবং রিদম গিটারিস্ট রফিক ব্যান্ড ছেড়ে দেওয়ায় এটি ভেঙে যায়।

স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আগলি ফেসেস ও আন্ডার গ্রাউন্ড পিস লাভারস নামের দুটি ব্যান্ড। বিতর্ক আছে স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম ব্যান্ড নিয়ে। কারও কারও মতে, ‘আন্ডার গ্রাউন্ড পিস লাভারস’ স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রথম ব্যান্ড। দেশের প্রথম ব্যান্ড বিতর্কের পর, স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রথম ব্যান্ড বিতর্কের এ ব্যান্ডটির উদ্যোক্তা ওমর খালেদ রুমী। ব্যান্ডে তার সঙ্গী ছিলেন সালাউদ্দিন, সাজ্জাদসহ আরও বেশ ক’জন। অধিকসংখ্যকের মতের ভিত্তিতে আগলি ফেসেস ব্যান্ডকেই প্রথম ব্যান্ড ধরা হয়েছে। এটি গঠন করেছিলেন ল্যারী, সাকী, কামাল ও রেজা নামের চার তরুণ। স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রথম ব্যান্ডের স্বীকৃতি না পেলেও প্রথম কনসার্ট আয়োজন করে আন্ডার গ্রাউন্ড পিস লাভারস। ১৯৭২ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে ব্যান্ডটি প্রথম টিকিট কনসার্ট করে। ১৯৭২-৭৩ সালের আগ পর্যন্ত ব্যান্ডগুলো ইংরেজি গান পরিবেশন করত। বাংলা গানে আগ্রহী হয়ে ফেরদৌস ওয়াহিদ ও ফিরোজ সাঁইসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে গঠন করেন ‘স্পন্দন’ নামের একটি ব্যান্ড। ব্যান্ডের ‘এমন একটা মা দে না’ গানের সুবাদে তুমুল জনপ্রিয় হয় ব্যান্ডটি। এ সময় উচ্চারণ ব্যান্ড নিয়ে আবির্ভাব ঘটে পরবর্তীকালের গুরু খেতাব পাওয়া শিল্পী আজম খানের। ‘ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী’ নিয়ে আসেন ফকির আলমগীর। ১৯৭৩-৭৪ সালে ফেরদৌস ওয়াহিদের গানের পাশাপাশি আজম খানের ‘রেলাইনের ঐ বস্তিতে’, ‘ওরে সালেকা ওরে মালেকা’, ‘আলাল ও দুলাল’; ফিরোজ সাঁইর ‘ইশকুল খুইলাছে রে মওলা’ এবং ফকির আলমগীরের ‘ও সখিনা’ গানগুলো সারা বাংলায় আলোড়ন তোলে। পরবর্তীকালে এ চার শিল্পীর সঙ্গে পিলু মমতাজ যোগ দেন এবং পাঁচপীর নাম নিয়ে উচ্চারণ ব্যান্ডের সঙ্গে তারা পারফর্ম করতে থাকেন। কিন্তু পঞ্চশিল্পীর কাউকেই ব্যান্ড নিয়ে খুব বেশিদূর এগিয়ে যেতে দেখা যায়নি। এককভাবে পরিচিতি গড়তেই তাদের আগ্রহী দেখা গেছে। এরপরে আগমন ঘটে পপ রক ব্যান্ডগুলোর। সোলস ১৯৭৩ সালে, ফিডব্যাক টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ১৯৭৬ সালে, বালার্ক ১৯৭৬ সালে, অ্যাবনরমাল থ্রি প্লাস ১৯৭৬ সালে, মাইলস ১৯৭৯ সালে এর মতো ব্যান্ডগুলো বাংলা গানে পাশ্চাত্যের ছোঁয়া নতুন রূপরেখা তৈরি করে।
১৯৭২ সালের সুরেলা সঙ্গীত দল বিবর্তিত হয়ে গঠন করা সোলস বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘায়ু ব্যান্ড। মন শুধু মন ছুঁয়েছে, আগের জনম, এ এমন পরিচয়, কেন এই নিঃসঙ্গতা, চায়ের কাপে পরিচয় ইত্যাদি অসংখ্য জনপ্রিয় গান এ ব্যান্ডকে আজও সজীব রেখেছে। আশির দশকে বালর্ক ছেড়ে হ্যাপী আখন্দ, ইসতিয়াক, কামাল, ল্যারীর প্রতিষ্ঠা করা ব্যান্ড মাইলসে যোগ দেন হামিন ও শাফিন আহমেদের মতো সেকাল-একালের জনপ্রিয় শিল্পীদ্বয়।
এ সময়ে মানাম, জুয়েল ও তূর্যকে সাথী করে হামিন ও শাফিন রচনা করেছেন জনপ্রিয় তার নতুন ইতিহাস। ফিরিয়ে দাও, চাঁদ তারা সূর্য, জ্বালা জ্বালা, কি জাদু, ধিকি ধিকি আগুন জ্বলেসহ অজস্র জনপ্রিয় গানে সমৃদ্ধ ব্যান্ড মাইলস। ১৯৭৬ সালের ‘ফিডব্যাক টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি’ কালের হাওয়া রূপান্তরিত হয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ফিডব্যাক’-এ। মেলা, মৌসুমী, চিঠি, পালকী, দেহঘড়ির মতো আকাশচুম্বী জনপ্রিয় গান নিয়ে দীর্ঘ পথ
মাড়িয়েছে ফিডব্যাক। ১৯৮৪ সালে মেটাল গান নিয়ে শ্রোতার মধ্যে আসে ওয়েভস। কিন্তু একই সময়ে স্কুলপড়ূয়া সঞ্জয়, বাবনা, টিপু, রাসেল, কমলের মতো জন্ম নেওয়া ব্যান্ড ‘ওয়ারফেইজ’ সময়ের ব্যবধানে হয়ে ওঠে সবচেয়ে জনপ্রিয় হেভি মেটাল ব্যান্ড। অবাক ভালোবাসা, জীবনধারা, একটি ছেলে, সময়, অসামাজিকসহ অসংখ্য জনপ্রিয় মেটাল ও হার্ডরক গানের স্রষ্টা ওয়ারফেইজ। বর্তমান সময়েই। উইনিং, আর্টসেল, অর্থহীন, অবসকিওর, প্রমিথিউস, ফিলিংস, আর্ক, চাইম, ডিফরেন্ট টাচ, সিম্ফনি, তির্যক, পেপার রাইম, এলআরবি, বাংলা, দলছুট, শিরোনামহীন, রেনেসাঁ, দ্য কিট, অরবিট, ফেইথ, রকস্ট্রাটা, ইন ঢাকা, সাডেন ও নোভার মতো জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর জন্ম।

নব্বই দশকের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি সেই তুমি, রূপালি গিটার, সাড়ে তিন হাত মাটি, ফেরারি মন, এখন অনেক রাতসহ অজস্র গান নিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অন্যদিকে ফিলিংস পরবর্তীকালে নগরবাউল ব্যান্ড পথ, জেল থেকে বলছি, তারায় তারায়, যাত্রা, দুষ্টু ছেলের দল, বিজলী ইত্যাদি গান নিয়ে দর্শক মাতিয়েছে। আর্ক এর একাকী, সুইটি, প্রেম তুমি, দলছুট এর বাজি, তোমাকেই বলে দেব, ফিরে পেতে চাই, উইনিং এর সোনার মেয়ে, ইচ্ছে করে সহ আরও অনেক গান নিয়ে শ্রোতার মনোযোগ কাড়ে। আজ এ পর্যন্ত, অন্য একদিন অন্য কোন তথ্য দিতে সঙ্গীতাঙ্গন আবার আসবে সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সঙ্গীতাঙ্গন এর সাথে থাকুন।

Related Articles

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

18,780FansLike
700SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

betwinner melbet megapari megapari giriş betandyou giriş melbet giriş melbet fenomenbet 1win giriş 1win 1win