Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Buy Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink satın al

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

sakarya escort bayan

sapanca escort bayan

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

xnxx

porn

Hacklink satın al

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Phet Agency

Hacklink Panel

Masal oku

Hacklink panel

Hacklink panel

Illuminati

Masal Oku

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

betasus

sloto

Masal Oku

Backlink paketleri

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

meritking

jojobet

meritking

jojobet

jojobet

kingroyal

Postegro

fixbet güncel giriş

taraftarium24

ikimisli

deneme bonusu

deneme bonusu

bets10 güncel giriş

marsbahis giriş

vanilla prepaid

Meritking

meritking giriş

meritking güncel giriş

nakitbahis giriş

jojobet

nakitbahis

dizipal

1xbet

1xbet

royalbet

marsbahis

bahiscasino

maritbet

casibom giriş

casibom

bets10 güncel giriş

casibom

casibom

casibom

casibom

casibom

casibom giriş

holiganbet giriş

nakitbahis giriş

madridbet

betebet

https://www.symbaloo.com/mix/agariounblockedschool?lang=EN

casibom

casibom

casibom

betexper

celtabet

casibom

casibom giriş

kalitebet

den3me b0nusu ver3n yeni sit3ler

interbahis resmi

trendbet

meybet

afilta

bahiscasino

meritking

kavbet

onwin

holiganbet

celtabet Giriş

Hacklink panel

perabet giriş

casibom

jojobet

holiganbet güncel giriş

deneme bonusu

palacebet

betasus giriş

jojobet

Galabet

Galabet giriş

serdivan escort

sezarcasino

superbet

betwild

sloto

cratosroyalbet

pashagaming

betasus

jojobet

betwoon

grandpashabet

marsbahis

tophillbet

jojobet giriş

padişahbet

giftcardmall/mygift

tophillbet giriş

tophillbet giriş

tophillbet

primebahis

sloto

Eros Maç Tv

หวยออนไลน์

holiganbet

holiganbet giriş

casibom

kavbet

savoycasino

betoffice giriş

betoffice

Galabet mobil giriş

casibom

casibom

tophillbet

casibom

casibom

casibom

casibom

casibom

serdivan escort

tophillbet giriş

antalya dedektör

holiganbet

holiganbet giriş

casibom

casibom

tophillbet

betcio

Balıkesir Escort

marsbahis

tarabet

vaycasino

betsmove

pulibet

deneme bonusu

ultrabet

kingroyal

ikimisli

madridbet

Wednesday, April 1, 2026

স্বপ্ন দেখতাম স্টেজে উঠবো,পপ মিউজিক করবো – জনপ্রিয় কিবোর্ডিস্ট সোহেল আজিজ…

কবি ও কথাসাহিত্যিক রহমান ফাহমিদা।

অতীতকাল থেকেই দেখা যায় যে, বাবা মা নির্ধারণ করে দিতে চাইতেন তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ। তাঁরা কোন্ লাইনে পড়ালেখা করবে অথবা বাবা মা নিজেরা যা হতে চেয়েছিলেন বা তাঁদের মনে যে পুঞ্জিভূত শখ ছিল তা ছেলেমেয়েদের দিয়ে পূরন করাতে চাইতেন। অনেক সময় তাঁদের সেই শখ পূরন হত আবার কখনো হতোনা! কারণ প্রকৃতপক্ষে ভাগ্যবিধাতাই প্রত্যেক মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকেন। জনপ্রিয় কিবোর্ডিস্ট সোহেল আজিজের হওয়ার কথা ছিল গায়ক কিন্তু সে গায়ক না হয়ে, হলেন কিবোর্ডিস্ট। এই ঘটনাটি জানা গেল সঙ্গীতাঙ্গনের পক্ষ থেকে রহমান ফাহমিদার সাথে তাঁর আলাপচারিতায়।

আপনার এই মিউজিক ক্যারিয়ারে আসার শুরুটা কখন থেকে ?

মিউজিকে আসার প্রথম পদক্ষেপটা ছিল আমার বাবার ইচ্ছায়। আমার বাবার ইচ্ছে ছিল, আমি গায়ক হব। আমি যখন ক্লাস ফোরে পড়ি তখন থেকেই উনি আমাকে গান শেখার জন্য ওস্তাদ ঠিক করে দেন। আমি তখন থেকেই ক্লাসিক্যাল মিউজিক, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি শিখেছি। খুলনা রেডিওতে আমি এনলিস্টেড আর্টিস্ট ছিলাম। সেখানে আমি দশ/বার বছর গান করেছি এবং শিখেছি। বাবার ইচ্ছে ছিল গায়ক হব কিন্তু পরে আমার ইন্টারেস্ট হল মর্ডান মিউজিক করবো, কিবোর্ড বাজাবো আর কি! তো আমার এক ফ্রেন্ড, সে এখন দেশে নেই। দেশের বাইরে থাকে। তখন আমি ক্লাস নাইনে পড়ি। সে ছিল অবসকিউর ব্যান্ডের ফাউন্ডার মেম্বার। অবসকিউর আমার ফার্স্ট ব্যান্ড। আমার ফ্রেন্ড, আমি তারপর আমাদের টিপু ভাই, আমরা তখন সবাই খুলনায় থাকতাম।

আপনার ঐ ফ্রেন্ডের নামটি কি বলা যাবে ?

ওনার নাম হচ্ছে, দেওয়ান হাসান ওয়াহিদ। ডাক নাম তুষার। উনি এখন আমেরিকাতে ডালাসে থাকেন। সেই ফ্রেন্ডের ইচ্ছা ছিল যেহেতু আমি গান শিখতাম এবং হারমোনিয়াম বাজাতে পারতাম তাই আমি কিবোর্ড বাজাবো আর ও গিটার বাজাবে। মানে আমরা ফ্রেন্ড সার্কেল একসাথে ছোটবেলায় এরকম স্বপ্ন দেখতাম, আমরা স্টেজে উঠবো, পপ মিউজিক করব ইত্যাদি। তারপর থেকেই আস্তে আস্তে ব্যান্ডে ঢোকা। ব্যান্ডে গান কম্পোজ করা এবং ওখান থেকেই আমার কিবোর্ড বাজানো শুরু।

এই শুরুটা কি ৮০’র দশকে ?

হ্যাঁ, ১৯৮৪ সালে।

সেই সময় তো পপ গানের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিল। তখনতো পপ সম্রাট আজম খান, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজ, ফিরোজ সাঁই, নাজমা জামান-সাফাত আলী ভাইবোনদের জিংগা শিল্পীগোষ্ঠী, ফিডব্যাক ইত্যাদি জনপ্রিয় ব্যান্ড ও শিল্পীরা ছিল। তখন কি তাঁদের দেখেই এই পপ মিউজিকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ?

মেইনলি তাঁদের দেখেই আসা। আমরা যেহেতু খুলনায় ছিলাম মফস্বল এরিয়া। তখন তো আমরা ক্যাসেটও ঠিকমত হাতের কাছে পেতাম না! ভিডিও তো খুবই কষ্টকর পাওয়া। সাদাকাল বিটিভিই ছিল একমাত্র ভরসা! বিটিভিতে আজম খান ভাইয়ের গান দেখতাম, ফেরদৌস ওয়াহীদ ভাইয়ের গান দেখতাম। জিংগা শিল্পীগোষ্ঠীর গান দেখতাম। মাইলস তখন নতুন। বাংলা ক্যাসেট বের করেনি। টিভিতে তাঁদের ইন্সট্রুমেন্টাল শুনতাম। ফিডব্যাকের গান শুনতাম। তাঁদের সবার যে মিউজিক প্রোগ্রাম হত, তা দেখেই কিন্তু আমাদের এই লাইনে আসা। তাছাড়া তখন এম এ শোয়েব, কুমার বিশ্বজিৎ তারপর জুয়েল ভাইদের ক্যাসেট বের হল। সেই সময় সোলসের ক্যাসেট বের হল। সোলস তখন তো বিরাট এক ব্যাপার! ওনাদের গান শুনে আর দেখে আমরা তো পাগল হয়ে গেলাম!

আপনি কোন্ গায়ক জুয়েলের কথা বলছেন ? যে মারা গিয়েছিলেন!

হ্যাঁ, খুব অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলেন। বলতে পারেন তাঁদের গান শুনে এবং দেখে দেখেই আমরা উৎসাহিত হয়ে পড়লাম। তাছাড়া কখনো চিন্তা করিনি, ঢাকায় আসব এবং ঢাকায় এসে কিছু করবো! কারণ তখন ঢাকায় আসা বিরাট ব্যাপার আমাদের জন্য বিশেষ করে এত অল্প বয়সে এবং স্টুডেন্ট লাইফে। তখন আমরা যে গানবাজনা করছি, আমরা তখন শকড্! কি করবো, কতটকু করতে পারছি, কিভাবে শিখব, কি বাজাবো, কি গাইবো তা একমাত্র খোদাতা’আলা জানেন!

অবসকিউর ব্যান্ডে তো অনেকদিন ছিলেন, তারপর কিভাবে বাপ্পা মজুমদার এর সাথে কাজ শুরু করলেন ?

অবসকিউর ব্যান্ডের মাধ্যমেই আমার ঢাকাতে আসা। তখন অবসকিউর দিয়েই আমার শো করা। তারপর তখন ইচ্ছে হল যে, মিউজিক যেহেতু আমার প্রফেশন এবং মিউজিক যেহেতু আমি ভালোবাসি তাই মিউজিক নিয়েই তখন কিছু করার চিন্তাভাবনা করলাম। তখন ঢাকাতে আসি এবং প্রোগ্রামগুলো করি। সেই সময় সবাই আমাকে একটা কথাই বলতো, তোমাকে সেশান প্লেয়ার হতে হবে মানে স্টুডিওর রেকর্ডিং-এর মিউজিশিয়ান হতে হবে। আমার কাছে তখন এটা অবাস্তব একটি ব্যাপার ছিল। কিন্তু তখন টার্গেট করলাম যে, নাহ! আমাকে যেভাবেই হোক স্টুডিওতে সেশান মিউজিশিয়ান হতে হবে। এই চেস্টাই তখন থেকে শুরু করলাম। সেই সময় ঢাকাতে এসে আমার স্ট্রাগল শুরু হল। সেই সাথে ব্যান্ডও চলল কয়েক বছর। তারপর আস্তে আস্তে সবার সহযোগিতায়, বড় ভাইরা যারা আছেন যেমন – মাকসুদ জামিল মিন্টু ভাই, তারপর আমাদের ফোয়াদ নাসের বাবু ভাই, আমাদের মানাম ভাই, নকিব খান ভাই, আমাদের লিটন ডি কস্টা আরও এরকম সিনিয়ার ভাই যারা আছেন তাঁরা আমাকে যথেষ্ট হেল্প করেছেন। তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম তাই সবাই আমাকে অনেক হেল্প করেছেন। বলতে পারেন তাঁদের সহযোগিতায় আমার সেশানে আসা। তারপর আস্তে আস্তে আমাদের ব্যান্ডের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেল তখন আমি পুরোপুরি স্টুডিওর সেশানে ঢুকে গেলাম আর ফ্রিল্যান্স কাজ করা শুরু করলাম। বেবী আপা, রিজিয়া আপা, আমার বন্ধু পলাশ, কুমার বিশ্বজিৎ দাদার সাথে, বলতে গেলে সবার সাথেই তখন স্টেজে বাজিয়েছি। তখন আমার ইন্ডিভিজুয়্যালি কোনো ব্যান্ড ছিলনা এবং আমি কারো সাথে বাজানোর জন্য ইনভলবও ছিলামনা। ফ্রিল্যান্সভাবে কাজ করতাম। মানে আমি স্টুডিওতে কাজ করতাম আর স্টুডিওর কাজের ফাঁকে ফাঁকে আমি বিভিন্ন শিল্পীদের সাথে দেশেবিদেশে প্রোগ্রাম করতাম। হয়তোবা রুনা আপার সাথে বাজানো হয়নি তবে সাবিনা আপা, হাদী ভাই, এন্ড্রু দা, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী সবার সঙ্গেই বাজিয়েছি। তারপরে অনেক পড়ে আমি বাপ্পা দা’র সাথে কাজ শুরু করি। স্পেশালি আমি বাপ্পা দা’র খুব ফ্যান ছিলাম মানে বাপ্পা মজুমদারের। ওনার গান আমার খুব ভালো
লাগতো। ওনার সঙ্গে বাজানোর খুবই ইচ্ছে ছিল। তারপর উনি আলাদা একটা প্রোজেক্ট করলেন্‌, বাপ্পা এন্ড ফ্রেন্ডস নামে। ঐ বাপ্পা এন্ড ফ্রেন্ডসে আমার এক কলিগ, আমার খুব পছন্দের মানুষ একজন। উনি একজন বেজিস্ট। উনি আমাদের বাংলাদেশের খুব নামকরা একজন বেজিস্ট। উনি তখন আমাকে নিয়ে গেলেন। তখন থেকে আমার বাপ্পা দা’র সাথে কাজ করা শুরু।

এটা কত বছর আগের কথা ?

এটা প্রায় ৭/৮ বছরের কম নাহ!
বাপ্পা মজুমদার দাদার সাথে এখন আপনার সম্পর্কটা কিরকম ?

বাপ্পা দা’র সাথে আমার সম্পর্ক মানে অন্যরকম সম্পর্ক! হা হা হা। অন্যরকম সম্পর্ক কারণ বাপ্পা’দা যদিও আমার এক/দুই বছরের ছোট কিন্তু আমি সেইভাবে তাকে – একজন মিউজিশিয়ান হিসেবে, একজন ব্যক্তি, একজন কম্পোজার হিসেবে আমি তাঁকে ঐভাবেই রেস্পেক্ট করি। উনিও আমাকে সেইভাবেই রেস্পেক্ট করেন। আমরা যথেষ্ট ক্লোজ এই আরকি।

কাজের ব্যাপারে আপনাদের দুজনের আন্ডারেস্টিং বা বোঝাপড়াটা খুব ভালো বুঝা যাচ্ছে। আসলে কাজের ক্ষেত্রে একই মনমানসিকতার না হলে কাজ করে আনন্দ পাওয়া যায়না।

জী, ঠিকই বলেছেন। আসলে এটা কোনো ব্যাপার না কিন্তু রেস্পেক্ট না থাকলে হয়না। ছোট বড় কোনো ব্যাপার না।

আসলে, আগে যেমন ৮০ দশক থেকে যারা আছেন তাঁরা সেরকম ভাবে! কিন্তু এখন হয়তো কেউ সেই রেস্পেক্টটা তেমনভাবে করেনা।

আমি জানিনা এখনকার জেনারেশন কেন সময় পায়না বা তাদের আগ্রহ কেন থাকেনা! আমি আমার রুটসটা দেখবো। আমি বাংলা মিউজিক করছি তাইনা! কিন্তু সেটা করার আগে আমার গোঁড়াটা কোথায় ? সেটাকে কষ্ট করে আমার জানতে হবে এবং তাঁদেরকে রেস্পেক্ট দিতে হবে। এমনকি আমার চেয়ে যে একদিনেরও সিনিয়ার তাঁকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। আমি একটা জিনিস জানি যে, আমাদের এই মিউজিক বা আর্ট কালচার লাইনে যারা কাজ করে তাঁরা খুবই ইমোশনাল। তাঁরা কিন্তু অন্য কোনোদিকে নাই। তাঁদের কিন্তু ইগো বলেন, ইমোশন বলেন তা কিন্তু খুব হাই! সো, এখানে কিন্তু তাঁরা একটা জিনিসই চায় তাহলো রেস্পেক্ট এন্ড লাভ। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার বাইরে কিন্তু তাঁদের আর কিছু চাওয়ার নেই। তাই রেস্পেক্টটা খুবই জরুরী, সে ছোটই হোক আর বড়ই হোক।

আপনার পরিবারে কে কে আছেন ?

আমার পরিবারে আমি, আমার স্ত্রী এবং আমার তিন বাচ্চা। মেয়েটা বড়। মেয়ে এলেভেল শেষ করেছে, এখন বাইরে পড়তে যাবে। মেয়ের পরে যে ছেলে, সে ক্লাস টেন-এ আর ছোট ছেলে ক্লাস টু-তে পড়ে।

আচ্ছা, আপনাকে তো সবসময় আপনার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় এবং অনেক সময় বাইরেও যেতে হয় তখন তো আপনার পরিবারের সবাই মিস করে আপনাকে। তাঁরা আপনার এই ব্যস্ততাকে কিভাবে দেখেন ?

আমি এদিক থেকে খুব লাকি এইজন্য যে,আমার ওয়াইফ প্রচণ্ড মিউজিক লাভার। সবথেকে আশ্চর্য ব্যাপার সে প্রত্যেকটি ইন্সট্রুমেন্ট চিনে এবং সাউন্ড শুনে বুঝতে পারে যে, এটা কোনো ইন্সট্রুমেন্টের সাউন্ড।

ওয়াও! সে কখনো আসতে চায়নি গানের এই জগতে ?

না, এমনিতে গান পচ্ছন্দ করে সে। ভালো খারাপ খুব জাজ করতে পারে। মানে সে ভালো একজন শ্রোতা। আর আমার বড় মেয়ে তো নিজেও গিটার বাজায় আর সে প্রচণ্ড রকমে মিউজিক পচ্ছন্দ করে। আর আমার বড় ছেলে কোনো ইন্সট্রুমেন্ট বাজায় না কিন্তু সে যেগুলো শোনে সেগুলো হয়তো আমিও শুনি নাই। ওর টেস্টই এরকম। ও শোনে অকেস্ট্রা, সিম্ফনি এগুলো শোনে। আর ছোট ছেলেটা তো অনেক ছোট। তাই আমার পরিবারটা হয়েছে কি! ওরা সবাই মিউজিক পছন্দ করে ও ভালোবাসে। তবে মাঝে মাঝে যে একটু সমস্যা হয়না, তা কিন্তু নয়। যেহেতু আমাদের কাজে কর্মের তো কোনো টাইম শিডিউল নাই, কোনো কিছুই নাই। যেমন হঠাৎ করে চলে যাচ্ছি ঢাকার বাইরে। আবার কখনো হঠাৎ করে চলে যাচ্ছি, দেশের বাইরে। বাসা সামলানোর ব্যাপারটা, পুরোটাই আমার ওয়াইফ সামলান। যা কিছু ঝড়ঝাপটা ওর ওপর দিয়েই যায়। বলতে গেলে আমার সংসারে আমার কন্ট্রিবিউশন কি ? আমি নিজেও জানিনা আসলে! হা হা হা।

মিউজিক ছাড়া আপনার অন্য কোনো কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহ ছিল কিনা ?

না,ওরকম কিছু ছিলনা। আমার বাবার খুলনাতে হোটেলের বিজনেস ছিল। ছোটবেলা থেকেই বাবার সাথে সাথে যেতাম। যখন বড় হলাম তখন বাবা যখন যেতে পারতেননা তখন আমি গিয়ে বিজনেস দেখাশোনা করতাম।

তারমানে, বাবার বিজনেস দেখাশোনা করতেন হয়তোবা বিজনেস লাইনে চলে যেতেন।

হ্যাঁ, ঠিক তাই। আমার আরও বড় করে হোটেল করার চিন্তাভাবনা ছিল।

আপনার ভবিষ্যতে এমন কোনো চিন্তাভাবনা আছে কি, কিবোর্ড নিয়ে কোনো স্কুল বা প্রতিষ্ঠান করবেন ?

হ্যাঁ, এরকম অবশ্যই চিন্তাভাবনা আছে। আমার কলিগদের সাথে আলাপ আলোচনা করছি। এমনকি বেশ কিছুদিন ধরে বাপ্পা দা আমরা সবাই মিলে প্লান করছি একটি স্কুল করব। ইনশা আল্লাহ্‌! একটি স্কুল করার ইচ্ছা আছে।

আপনিতো এই মিউজিক অনুষ্ঠান করতে গিয়ে অনেক ভক্ত শ্রোতাদের কাছ থেকে ভালোবাসা পেয়েছেন এবং অনেক সুখকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীনও হয়েছেন! এমন কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতা কি আছে, কোনো অনুষ্ঠান করতে গিয়ে ?

তিক্ত অভিজ্ঞতা অবশ্যই আছে। সেটা হচ্ছে যে, চিটাগাং-এর একটি প্রোগ্রামে। আমরা প্রোগ্রামের আমন্ত্রণ পেয়ে ঢাকা থেকে চিটাগাং গেলাম এবং অনুষ্ঠানের আয়োজকরা আমাদের জন্য যে হোটেল বুকিং দিয়েছিল সেখানে উঠলাম। তারপর প্রোগ্রাম করলাম ঠিকঠাক মত কিন্তু যখন অনুষ্ঠান শেষ হল তখন আর পার্টির লোকজনকে খুঁজে পাওয়া গেলনা! আমাদের তো পেমেন্ট দেয় নাই। এদিকে আমাদের খাওয়ারও টাকা হাতে নাই আর হোটেলের বিল দিব কি করে! এদিকে হোটেলের বিল না দিলে তো আমাদের হোটেলের বাইরে বের হতে দিবেনা। আমরা সারা রাত না খেয়ে রইলাম। আমরা তো তখন অনেক ছোট। আমরা ঝামেলায় পড়ছি এই খবর জানতে পেরে তখন পার্থ দা মানে পার্থ বড়ুয়া, ফান্টি ভাই, টন্টি ভাই আরও যারা ছিলেন সবাই মিলে এসে হোটেলের বিল দিয়ে এবং আমাদেরকে চিটাগাঙে রেখে,তাঁদের প্রোগ্রাম আমাদের দিয়ে করিয়ে সেই প্রোগ্রামের পুরো টাকাটাই আমাদের দিয়ে দেন। তারপর আমরা চিটাগাং থেকে ঢাকায় আসি। তাঁরা সকলেই অসাধারণ মানুষ! ছোট থেকেই তা দেখে আসছি। এটা ছিল আমাদের জন্য ভয়ানক এক তিক্ত অভিজ্ঞতা।

তখন কি আপনি অবসকিউর ব্যান্ডে ছিলেন ?

জী, অবসকিউর ব্যান্ডে ছিলাম।

যখন আপনারা কোনো একটি প্রোগ্রামের অফার পান তখন কি আপনাদের সাথে আয়োজকদের কোনো চুক্তি হয়না ? আর আপনারা যাওয়ার আগে অগ্রিম কিছু টাকা নেন না ? নাকি আপনারা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর টাকাটা নেন! কিছু মনে করবেন না, যেহেতু এইরকম একটি বিপদে পড়েছিলেন, সেজন্যে জানতে চাইছি।

নাহ! তারপর থেকে তো আস্তে আস্তে আমাদের অভিজ্ঞতা বেড়েছে। সেই ভুল আর করিনি। এখন তো আমাদের আলাদা একজন ম্যানেজার থাকে এবং সেইই পার্টির সাথে সবকিছু ডিল করে। আমরা কিছুই করিনা। এখন একদম আলাদা ওয়েতে পুরোপুরি বিদেশী সিস্টেমে হয়।

আসলে সবকিছু মানুষ ঠেকে শিখে। যাই হোক, আপনার সাথে কথা বলে অনেক কিছু জানতে পারলাম এবং আপনার এই ব্যস্ততার মধ্যে সময় দেয়ার জন্য সঙ্গীতাঙ্গন ও আমার পক্ষ থেকে অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইল।

আপনার এবং সঙ্গীতাঙ্গনের জন্যে আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা।

Related Articles

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

18,780FansLike
700SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

betwinner melbet megapari megapari giriş betandyou giriş melbet giriş melbet fenomenbet 1win giriş 1win 1win